Ultimate magazine theme for WordPress.

বেনাপোলে মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের…

কমলগঞ্জে স্বামীকে অচেতন করে স্ত্রীর পরকিয়ায়…

স্কুল মাঠে বিটুমিন পোড়ানোর গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

0 ১৯৬

বর্তমান খবর,রৌমারী(কুড়িগ্রাম),নিজস্ব প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের টাপুরচর বিজি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাস্তা সংস্কার কাজের জন্য বিটুমিন পুড়িয়ে পাথরের সঙ্গে মেশানোর কাজ চলছে।
এতে বিষাক্ত ধোঁয়া, ধুলাবালু ও বিটুমিন (পিচ) গলানোর দুর্গন্ধে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়াসহ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাসহ এলাকাবাসী। এবিষয় স্থানীয়রা বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযাগ করেও সুফল পাচ্ছেন না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের টাপুরচর বিজি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে ছাটকড়াইবাড়ী ভায়া রৌমারী সরকারি কলেজ পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের পাথর, বালু, খোয়াসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী স্তূপ করে রাখা হয়েছে।

ওই বিদ্যালয় মাঠে চুলা তৈরি করে বিটুমিন (পিচ) গলানোসহ মিক্সচার মেশিনে পাথর ও বালু মেশানো হচ্ছে। ফলে কালো ধোঁয়াসহ বালু ও ছাই উড়ে বাজারসহ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। একই সাথে খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ এলাকার তরুণ সমাজ। তবে এলাকাবাসী অভিযোগ, রাস্তা সংস্কারের বিটুমিনের ড্রাম, পাথর, মিক্সচার মেশিনসহ নির্মাণ সামগ্রী ওই বিদ্যালয় মাঠ থেকে দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম, আনারুল ইসলাম, সোহেল, মিঠু আহমদ, মাসুদ মিয়া, শাজাহান আলীসহ অনকই অভিযাগ করে বলেন, অবৈধভাবে স্কুল মাঠ দখল করে রাস্তা সংস্কার কাজের পাথরসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। ওই মাঠে বিটুমিন পোড়ানোর ফলে কালো ধোঁয়া ও ধুলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারছেন না।

তারা আরও বলেন, ওই বিদ্যালয় মাঠে নির্মাণ সামগ্রী রাখায় ট্রাক্টরের ধাক্কায় নবনির্মিত ভবনের সিঁড়ি ভঙ্গে ফেলা হয়েছে। ঠিকাদারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময় মালামাল রাখার অনুমতি দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে টাপুরচর বিজি উচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল গনি বলেন, বিদ্যালয়ের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে ঠিকাদার তার ক্ষতিপূরণ দেবেন।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হামিদ ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী আব্দুল হামিদ বলেন, ওই এলাকায় রাস্তার পাশে কোনা খালি জায়গা না পাওয়ায় ওই স্কুল মাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, স্কুলের কোনা ক্ষয়ক্ষতি হলে সেটার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী আল ইমরান বলন, বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের কোনো প্রকার ক্ষয়ক্ষতি হলে তারা ক্ষতিপূরন দিতে চেয়েছেন। তারপরও বিষয়টি দেখছি।
কুড়িগ্রাম জলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিইও) শামছুল আলম বলেন, কোনো ক্রমেই ঠিকাদারী নির্মাণ সামগ্রী স্কুল মাঠে রাখার নিয়ম নই। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে পারেন বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.