সোলার পার্ক নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে এবার এনার্জিপ্যাক

বর্তমান খবর : যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে সোলার পার্ক নির্মাণে সম্প্রতি এমপিডব্লিউআরএনআরজিওয়াই পিটিই লিমিটেডের (সিঙ্গাপুর) সাথে একটি যৌথ উন্নয়ন চুক্তি (জেডিএ) স্বাক্ষর করেছে এনার্জিপ্যাক ইলেক্ট্রনিকস লিমিটেড। এ চুক্তির লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব জ্বালানি (ক্লিন এনার্জি) উৎপাদনে বাংলাদেশের লক্ষ্যপূরণে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখা।

এনার্জিপ্যাক ইলেকট্রনিকস লিমিটেড দেশে নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর জ্বালানি সমাধান প্রদানের মাধ্যমে জ্বালানি খাতে অবদান রেখে চলেছে। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান এমপিডব্লিউআরএনআরজিওয়াই সবুজ প্রযুক্তি উৎপাদন, স্থাপন ও পরিচালনায় কাজ করে।

প্রস্তাবিত সোলার পার্ক টেকসই এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে সৌর শক্তি উৎপাদন করবে, যা নবায়নযোগ্য এবং বিনামূল্যে জ্বালানির উৎস। এটি জীবাশ্ম জ্বালানির মতো সীমিত নয় এবং এটি কার্বন ডাই অক্সাইড (সিও ২ )তৈরি করে না। কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে আটকা পড়ে এবং এর ফলে পৃথিবী আরও বেশি তাপ ধরে রাখে,যা জলবায়ুতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এই সোলার প্লান্টগুলো দীর্ঘমেয়াদী বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) বা বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বিদ্যমান নেট মিটারিং সিস্টেমের অধীনে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। এই যৌথ চুক্তির লক্ষ্য হলো বৈদ্যুতিক সমাধান প্রদানকারী শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক’র শক্তি এবং এমপিডব্লিউআরএনআরজিওয়াই-এর বৃহৎ আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উন্নয়ন ও সম্পাদনের অভিজ্ঞতার সমন্বয় করা।

এ ব্যাপারে এনার্জিপ্যাক ইলেকট্রনিকস লিমিটেডের ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেট কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান আহমেদ মাশরুর হুদা বলেন, ‘সোলার পার্ক নিরাপদ এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শক্তি প্রদান করে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসডিজি পূরণের জন্য পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য শক্তির বিকাশ বাংলাদেশের পক্ষে অত্যাবশ্যক হয়ে উঠেছে।

তাছাড়া, দেশের গ্রামীণ অঞ্চলে অসংখ্য মানুষ এখনও বিদ্যুতের আওতাভুক্ত না, যা তাদের জীবনযাত্রাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। সুতরাং, টেকসই সোলার পার্ক তৈরির মাধ্যমে আমাদের জনগণের ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটানোর এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করার সম্ভাবনা রয়েছে।’

এমপিডব্লিউআরএনআরজিওয়াই’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাবিল ইসমির বলেন, ‘বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ডোমেস্টিক এনার্জি প্রোগ্রাম রয়েছে। সোলার পিভি জেনারেশন বাস্তবায়নের অনেক সুবিধা আছে। কার্বন এবং অন্যান্য দূষণকারী পদার্থের নির্গমন অনেক অংশে কমে যায়। স্বল্প ব্যয়বহুল এলসিওইয়ের সুবিধা গ্রহণ করলে বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য আরও ভাল দাম নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের জন্য গ্রিডে নবায়নযোগ্য এনার্জি একীভূতকরণ, শক্তির সঞ্চয়স্থানের উন্নতি ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার মতো অতিরিক্ত সমাধান কার্যকর করার এটিই সঠিক সময়। তাই, আমরা এ বিষয়ে এনার্জিপ্যাক ইলেকট্রনিকস লিমিটেডের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।’

আরও পড়ুন
Loading...