Ultimate magazine theme for WordPress.

বেনাপোলে মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের…

কমলগঞ্জে স্বামীকে অচেতন করে স্ত্রীর পরকিয়ায়…

মোবাইলে কল দিলেই ত্রান নিয়ে হাজির কাউন্সিলর আমজাদ হোসেন বিএ

0 ১০৩

বর্তমান খবর,শ্রীপুর,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ফোন করলেই পৌঁছে দিচ্ছে ত্রানসামগ্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ফেসবুক পেইজে দেয়া নাম্বারে, কল করে সমস্যার কথা বলতেই ছুটে আসেন ত্রান নিয়ে। মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে চলমান লকডাউন আর করোনাকালীন সংকটের সময়ে বেকার হয়ে পরা দিন মজুর, যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের কষ্টের কথা চিন্তা করে, মহান এই উদ্যোগটি অতিগুরুত্বের সাথে নিজে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন,গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর সভার টানা ৪ বারের নির্বাচিত সফল কমিশনার ও প্যানেল মেয়র আমজাদ হোসেন বিএ।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গোটা বিশ্বেই অর্থনৈতিক মন্দা তৈরি হচ্ছে। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও কঠোর লকডাউনের ফলে, মধ্য ও নিম্ন আয়ের লোকজনগুলো দিশেহারা হয়ে পড়ছে। অনেকের ঘরেই খাদ্যসামগ্রীর সঙ্কট প্রকটভাবে দেখা দিচ্ছে।

দেশের এই দূর্বিসহ অবস্থাতে অসহায় হয়ে পরেছে হাজারো দিন মজুরেরা। থেমে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতির চাকা। এমন পরিস্থিতিতে বেশির ভাগ সমস্যায় ভুগছেন, মধ্যম আয়ের মানুষ। যারা কারো কাছে সাহায্য বা আর্থিক সহযোগিতা চাইতে পারছেনা। এমন হাজারো পরিবার আছে যারা লজ্জাবশত বা আত্মসম্মানের ভয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। শুধু মাত্র তাদের উদ্দেশ্যেই এই মানবিক কাজটা করা হচ্ছে ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে। যেখানে দেয়া আছে তিনটি মোবাইল নাম্বার। এই নাম্বার গুলোতে ফোন দিয়ে আর্থিক বা খাদ্য সামগ্রী উপহার সহায়তা নিতে পারবে-যেকোন অসহায় ও নিন্মআয়ের মানুষ।

দেশের এই মহামারী সময়ে করোনা সংকট মোকাবিলায় অসহায় ও হত-দরিদ্রের মাঝে ত্রান সামগ্রী সহায়তা দিয়ে আসছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় এইসব ত্রান পৌঁছে দিচ্ছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বা সংসদ সদস্যরা। তারই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর ৩ আসনের মাননীয় সাংসদ জননেতা ইকবাল হোসেন সবুজ (এমপির) দিকনির্দেশনা করুনা সংকট মোকাবিলা অর্থিকসাহায্য ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করে আসছেন কমিশনার আমজাদ হোসেন বিএ। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ত্রান বিতরনের এমন খবর পেয়ে গাড়ি চালক রমিজ ড্রাইভার ফোন করে তার সমস্যার কথা বলে। দুই ঘন্টার মধ্যে তার বাড়ি পৌঁছে যায় খাদ্য ও ঈদের উপহার সামগ্রী।

এমন খবরে শতশত অসহায় পরিবার মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে ত্রান সহায়তা নিচ্ছেন । বলছেন তাদের অসহায়ত্ব আর সমস্যা কথা। যেখানে অসহায় মানুষদের জন্য উপহার হিসেবে রয়েছে আর্থিক সহায়তায় নগদ টাকা ও ঈদ উপহার সামগ্রী। উপহার সামগ্রীর পেকেটে রয়েছে দুই কেজি সয়াবিন তেল,একটি গোসলের সাবান ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ পেকেট সেমাই,১ কেজি চিনি, ২ কেজি আলু, কিসমিস সহ অন্যান্য পন্য সামগ্রী।

কেউ কেউ আবার পাচ্ছে নগদ অর্থ সহায়তা। মানবিক এই কাজের পিছনে রয়েছেন আরও অসংখ্য সেচ্ছাসেবী যুবকরা। যারা কমিশনার আমজাদের ত্রান বিতরণের কাজে সহায়তা করে থাকেন। মানবিক সফল কমিশনার আমজাদ হোসেন বিএ -এর কাছে মহান এই উদ্যোগটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা দিনমজুর, তারা পরিবার নিয়ে অভুক্ত থাকছে। ঘরে বাজারসদাই শূন্য। আয়ের সবরকম উৎস বন্ধ। কোঁথা থেকে দু’বেলা খাবারের ব্যবস্থা হবে তা তারা নিজেরাও জানে না। তাই বাধ্য হয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছে, কেউ এসে দু’মুঠো খাবার তাদের দেয় কিনা! এরকম হাজার হাজার দরিদ্র দিনমজুর অনাহারে মৃত্যুর প্রহর গোনছে প্রতিনিয়ত।

এই সঙ্কটপূর্ণ মুহূর্তে ইসলাম আমাদের শেখায় মানবিক হতে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। তাদের দুমুঠো খাবারের ব্যবস্থা করে দিতে। তাই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। তিনি আরও বলেন মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমি আমার নিজ অবস্থান থেকে আর্থিক বা ত্রান সহায়তা দিয়ে আসছি এবং যতদিন করোনার কারনে অসহায় মানুষগুলো তাদের রুজিরোজগার না করতে পারে ততদিন আমি আমার কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।

প্রথমে আমি আমার নিজ নির্বাচনী এলাকা বহেরারচালা ৯নং থেকে শুরু করে পরবর্তী শ্রীপুর পৌর সভার বাকি ১হতে আট নং ওয়াড পর্যন্ত ত্রান সহায়তা দিয়ে আসতে শুরু করেছি। কমিশনার আমজাদ বলেন,যখন লক্ষ করেছি যে অনেক মধ্যবিত্ব পরিবার আছে যারা ত্রান সহায়তার জন্য কারো কাছে চাইতে পারেনা তাদের জন্যই মুলত এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ইতি মধ্যে ব্যাপক সারাও পেয়েছি। প্রতিদিন ৪০/৫০ জনের ঘরে পৌঁছাতে পারছি খাদ্য সামগ্রী। তিনি আরও বলেন, সারা পৌর এলাকাতে প্রায় ৫ হাজার পরিবারকে পর্যায়ক্রমে আর্থিক বা ত্রান সহায়তা দিতে চাই। আমার মোবাইল নাম্বর দেয়া আছে ফেসবুক পেইজে। যার যার প্রয়োজন হবে কেবল হতদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের জন্য আমার সেবা থাকবে সব সময়ই।

সমাজের উচ্চ বিত্তবান শ্রেণীর লোকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অসহায় গরীব মানুষের জন সবাই যেন আত্বত্যাগী হয়।এবং করোনার এই মহামারী পরিস্থিতিতে যার যার অবস্থান থেকে গরিব দুখী মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। নিজে সচেতন হোন অন্যকে সচেতন করুন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.