দুই দিনব্যাপী হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাক্স বিতরণের আয়োজন করেছেন গাজীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা

বর্তমান খবর, শ্রীপুর প্রতিনিধি  ::  হঠাৎ করেই করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশে ৷ হাসপাতালগুলোতে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৷ আইসিইউ শয্যার সংকট দেখা দিচ্ছে৷ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরাও ৷ তাই সবাইকে সচেতন না হলে এই মহামারি করোনার গ্রাসে ধ্বংস হয়ে যাবে গোটা বাংলাদেশ। তাই জন সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে গাজীপুরের শ্রীপুরে, গাজীপুর সাংবাদিক কল্যান সংস্থার উদ্যোগে, মাওনা চৌরাস্তা ফ্লাইওভারের নিচে আগামি ১০ ও ১১ এপ্রিল ২০২১ ইং সকাল ১০ টা হতে ২ দিন ব্যাপি হান্ড সেনিটাইজার ও মাক্স বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, শ্রীপুর পৌরসভার চার বারের নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব আনিছুর রহমান আনিছ, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার ইমাম হোসেন মাওনা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ কামাল হোসেন, গাজীপুর রিজিওন।

সার্বিক সহযোগিতায় থাকবেন, সাংবাদিক আব্দুল মালেক যুগান্তর প্রতিনিধি শ্রীপুর। উক্ত অনুষ্ঠানটি শুভেচ্ছান্তে থাকবেন মাহফুজুর রহমান ইকবাল, সভাপতি গাজীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা। হাসান মাহমুদ সাধারণ সম্পাদক গাজীপুর বাংলাদেশ কল্যান সংস্থা।

মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত বিশ্বব্যাপী বহুল আলোচিত প্রাণঘাতী অসুখ করোনাভাইরাস। সভ্যতার ইতিহাসে খুব কম উদাহরণ রয়েছে, যেখানে একটা রোগ এতো দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বে প্রতি ১০ জনে একজন এরই মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমিত বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যানে জানা গেছে। বাংলাদেশে শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ। শনাক্তের দিক থেকে পঞ্চদশ আর মৃতের সংখ্যায় বাংলাদেশ রয়েছে ২৯তম অবস্থানে।

 

যদিও পরিসংখ্যান বলছে, অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সুস্থতার হার বেশি। মৃত্যু হার কম। তবুও বিপুল জনঘনত্বের দেশে মানুষ একবার রাস্তায় বেরোলে গায়ে গায়ে ঠেসাঠেসি অনিবার্য। পেট বড় দায়। সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি রয়ে যায়। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরাও হচ্ছে প্রচুর। বেড়েছে ছোটখাটো অনুষ্ঠানাদি, আত্মীয়-স্বজনের বাসায় বেড়াতে যাওয়ার প্রবণতা। বাস বা অন্যান্য যানবাহনে গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। হাট-বাজারে মানুষ গাদাগাদি করে কেনাকাটা করছে। রেস্টুরেন্টে বসে আড্ডা দিচ্ছে। দেখা যায়, বেশিরভাগ মানুষ মুখে মাস্ক পরছে না। সরকারিভাবে সতর্ক করা হচ্ছে, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।

’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বারবার করে বলে আসছে, ‘মাস্ক পরলে ‘জীবাণু’র ড্রপলেট থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।’ বিজ্ঞানীরাও দাবি করছেন, ‘করোনা বাতাসের মাধ্যমেও ছড়ায়।’ তাই মাস্ক ব্যবহার আরও জরুরি। কিন্তু অবস্থা দেখে মনে হয়, এসব কথার দিকে কারো কান নেই।

বাইরে পা দিলেই মাস্ক জরুরি: বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত্র প্রায় ৪০ শতাংশ রোগীই উপসর্গহীন। এদের শরীরে ভাইরাস বাসা বাঁধলেও রোগ লক্ষণ ফুটে ওঠে না। মুশকিল হলো, এরা কিন্তু অন্যের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে দিতে পারে। রোগ লক্ষণ থাকে না বলে এদের চিহ্নিত করাও কঠিন। আপনি বুঝতেও পারবেন না, সামনের মানুষটা উপসর্গহীন কি না! এই সমস্যা সমাধানে বাড়ির বাইরে পা দিলেই মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি।

সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রকাশ, করোনা মোকাবিলায় মাস্কের বিকল্প নেই। মাস্ক ছাড়া বাইরে বেরোলে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন
Loading...