কারিগরি শিক্ষকদের অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচি

২৩ সেপ্টম্বর ২০২০ ইং

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (শাখা-৮) মোঃ জহিরুল ইসলামের কাছে অপমানীত লাজ্ঞিত হয়রানীর শিকার হয়নি অধিদপ্তরে আসা একজন শিক্ষক কর্মচারি খুঁজে পাওয়া যাবে না। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষকরা এমপিও বিষয়ক কাজে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে এলে সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম এতটাই অশালীন ব্যবহার করেন যে কারো দেখলে মনে হবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জহিরুল ইসলামের জমিদারি আর শিক্ষকরা তার প্রজা।

অপমানে অপদস্তের শিকার নিরীহ শিক্ষকদের কয়েকজন ইতি মধ্যে অসুস্থ্য হয়ে পরেছেন। যারা শারীরীক সুস্থ্য আছেন তারাও মানষিক ভাবে অসুস্থ্য। মনোয়ারা জামান কৃষি কলেজের ( মাগুড়া-২ আসনের সাংসদ- সাইফুজ্জামান শিখরের মায়ের নামে কলেজ) অধ্যক্ষ মো: মশিউর রহমান সহকারী পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলাম (শাখা-৮) (পদবীতে অধ্যক্ষের নীচের পদ) এর কাছে অপমানীত হয়ে প্রচন্ড ভাবে আত্মসম্মানে আঘাত লাগায় হার্ট এ্যাটাক করে বর্তমানে মিলেনিয়াম হার্ট এন্ড জেনারেল হসপিটাল লিঃ চিকিৎসাধীন আছে।

হসপিটালের বিছানায় শুয়ে ভিডিও সাক্ষাতকারে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের শিক্ষকদের আত্মসম্মান হচ্ছে মুলধন সেটাই যদি না থাকে তাহলে কি আর থাকলো।

সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম (শাখা-৮) আমার ও আমার সহকর্মিদের সাথে শেয়াল কুকুরের মতো ব্যবহার করেছেন যা আমি কোন ভাবেই মেনে নিতে পারিনি। গত ৩০ শে এপ্রিল,বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১ টায সংশোধিত এমপিও ভুক্ত কারিগরি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তের সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম (শাখা-৮) স্বাক্ষরিত পত্রে ৩১ প্রকারের কাগজ সহ জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে হার্ড কপি এবং পেনড্রাইভে সফট কপি তিন দিনের মধ্যে ৩ মে ২০২০ রবিবারে জমা দিতে বলা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে তালিকা প্রকাশ,শুক্র-শনিবার সরকারী ছুটি তারপর লক ডাউনের মধ্যে ৩১ প্রকার কাগজ দিয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে কাগজ জমা দেওয়া নির্দেশ যা বাস্তবায়ন সম্ভব হযনি। ৩১ প্রকার কাগজের তালিকার মধ্যে ১টি হচ্ছে এমপিও আবেদনের প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদ সংশ্লিষ্ট বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে যাচাইকৃত প্রমাণসহ জমা দিতে হবে। শিক্ষা বোর্ড সমূহে গত দুই মাসে সনদ যাচাই সম্ভব হলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এখনও বন্ধ। কাজেই সনদ যাচাই সম্ভব হয়নি।

এই অপরাধে অধ্যক্ষর নিচের পদস্ত কর্মকর্তার কাছে চরম অপমান কোন ভাবেই মেনে নিতে পারিনি। যেখানে মানণীয় শিক্ষা মন্ত্রী,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষদের সম্মান দেন সেখানে একজন সহকারী পরিচালকের কাছে অপমান!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন, তিনিই আমাদের অভিভাবক শিক্ষদের সম্মাদের কথা বিবেচনা করে তিনিই সহকারী পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলামের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।

অধ্যক্ষ মো: মশিউর রহমান সহকারী পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলামের (শাখা-৮) সুবিচার প্রত্যাশা করতে পারলেও অধ্যক্ষ আবু সাঈদ সে সুযোগ টুকুও পায়নি।
ঝালকাঠী টেকনিক্যাল বিএম কলেজ, সদর, ঝালকাঠী প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আবু সাঈদ। মে ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিও অন্তর্ভূক্তি হয়। এমপিও ভুক্ত অধ্যক্ষদের অধ্যক্ষের স্কেল প্রদানের জন্য ১০জন করে অধ্যক্ষের গ্রæপ করে চক্রাকারে স্বাক্ষাৎকারের জন্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে ডাকা হয়।

অধ্যক্ষ আবু সাঈদকে ১০ জনের একটি গ্রæপে অক্টোবর-২০১৮ সালে ২য় সপ্তাহে স্বাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে উপস্থিতির জন্য জানানো হয়। মহাপরিচালক কার্যালয়ের তৎকালীন মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস এবং সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষাৎকার গ্রহন করেন। স্বাক্ষাৎকার গ্রহন অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষদের নিয়োগ সম্পকির্ত সমূদয় ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই করা হয়।

যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে এক পর্যায়ে সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম অত্যান্ত ক্ষিপ্র হয়ে ওঠেন এবং অধ্যক্ষ আবু সাঈদকে অকথ্য ভাষায় গাল-তিরষ্কার, অপমান-অপদস্ত করে এবং অফিস সহায়ককে অধ্যক্ষ আবু সাঈদকে আটকে রাখার হুকুম দিয়ে র‌্যাবে হস্থান্তরের জন্য জানায়।

ঘটনার আকষ্কিকতায় অপমান-অপদস্ত হয়ে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে অধ্যক্ষ আবু সাঈদ চেয়ার থেকে পড়ে যেয়ে জ্ঞান হারান। এ পর্যায়ে তিনি প্রাথমিক সেবার মাধ্যমে জ্ঞান ফিরে পান। এরপর তাকে চলে যেতে বলা হয় এবং পরবর্তী শুনানির দিন তারিখ নির্ধারন করা হয় ২৪ অক্টোবর ২০১৮।

অসুস্থ্য অধ্যক্ষ আবু সাঈদ তার সঙ্গীয় স্বাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানের অন্যান্য অধ্যক্ষদের সহযোগিতার বাড়িতে ফিরে যান। ঐদিনকার সমস্ত ঘটনা অধ্যক্ষ আবু সাঈদ তার সহধর্মীনি দেলোয়ারা সাঈদকে অবগত করেন। কারিগরি মহাপরিচালকসহ সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলামের অকথ্য ভাষায় গাল-তিরষ্কার, অপমান-অপদস্থ ও অসম্মানের বিষয় চিন্তা করে পর্যায়ক্রমে তিনি গুরুতর মানসকি অসুস্থতার মধ্যে ২৪ অক্টোবর ২০১৮খ্রিঃ ২য় বার স্বাক্ষাৎকারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

এমতাবস্থায় ২য় বার স্বাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে পূণরায় আবার কারিগরি মহাপরিচালকসহ সকহারী পরিচালক জহিরুল ইসলামের অকথ্য ভাষায় গাল-তিরষ্কার, অপমান-অপদস্থ ও অসম্মানের কথা মনে হওয়ায় ২৩ অক্টোবর ২০১৮ সালে মঙ্গলবার রাত ৮টায় হার্টএট্যাকে মৃত্যুবরণ করেন।

অকালে স্বামীর আকষ্কিক মৃত্যুতে স্ত্রী দেলোয়ারা সাঈদ একমাত্র ১২ বছরের কন্যা সামীরা সাঈদকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে দেলোয়ারা সাঈদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি, কান্না জড়িত কন্ঠে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার স্বামী ও শশুরবাড়ীর ফ্যামেলী অত্যান্ত সম্মানীয় ফ্যামেলী,আমার স্বামী প্রয়াত অধ্যক্ষ আবু সাঈদ শিক্ষকতাকে বেছে নিয়েছিল শুধু মাত্র সম্মানের জন্য। আমার স্বামী বলতেন সোনার বাংলাদেশ গড়তে হলে সুশিক্ষিত মানুষ গড়তে হবে আর সেই গুরু দ্বায়িত্ব আমাদের শিক্ষকদের বেশী।

কলেজ প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে তার প্রচুর অবদান আছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অপমানকে তিনি কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেননি। আইনের আশ্রয় কেন নেননি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি আসলে মানষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ি কি করবো আমার কি করা উচিৎ আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না। এখন আমি মানষিক ভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি, আমি আমার স্বামীর মৃত্যুর প্রতিকার চাইবো।

তিনি বলেন, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুজনই শিক্ষিত, তাদের আমি আমার অনেক শ্রোদ্ধার জায়গায় রেখেছি, এক কথায় যদি বলি ওনারা দুজনই আমার আইডল।

আমি মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত চেয়ে আবেদন করবো এই বলার জন্য আমি আমার স্বামীকে হারিয়েছি, যাদের কারনে তার যেনো সুষ্ঠ তদন্ত হয়, দায়ীদের দৃষ্টান্ত মূলক শান্তি হয় আর কোন শিক্ষক যেন অপমান অপদস্থ না হয়, কোন স্ত্রী স্বামী হারা না হয়,কোন স্বামী স্ত্রী হারা না হয় কোন সন্তান বাব মা হারা না হয়। শিক্ষকরা যেন আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে পারে।

সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম (শাখা-৮) এর কাছে অপমানীত নির্যাতিত হয়রানীর শিকার অগনিত শিক্ষক এই প্রতিবেদকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা দূর্নীতি,সেচ্ছা-চারিতা,শিক্ষকদের সাথে ক্রীতদাসের মতো আচরন সরকার বিরোধী কথাবার্তা তথ্য প্রমাণ সহ সংশিষ্ট দপ্তরে একাধিক বার অভিযোগ পত্রিকায় বহুল প্রচারিত হলেও গত তিন মাসে কোন সমাধান হয়নি। তবে অনেক বিলম্বে হলেও তদন্ত প্রতিবেদন চেয়ে ৮ জুন ২০২০ সালে সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল স্বাক্ষরীত একটি পত্র মহা পরিচালক বরাবর ইস্যু করা হয় যার নথি নং ৫৭,০০,০০০০,০৫৩,১৯,০০৪,১৮,১১০।

এ বিষয়ে আদৌ কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে কিনা তা ভুক্তভুগী মহল অদ্যবধি জানতে পারেনি। চলতি বছরের ২৩ ফেব্রয়ারী সরকারের ভাবমূর্তী নষ্টকারী এসডিসির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সুকৌশলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী সহকারী পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলামের স্থলে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী অন্য একজনকে পদায়নের জন্য দ্রæত ব্যবস্থা নিতে সচিবকে নির্দেশ দিলে এই প্রস্তাবটি নথিতে উঠানো হয়,কিন্তু জহিরুল ইসলামের এলাকার ভাই সচিবের দপ্তরের একজন কর্মকর্তা দীর্ঘ সারে তিন মাস গোপনে লুকিয়ে রাখে।

শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তর থেকে সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলামের বদলি ও মন্ত্রীর নির্দেশিত ব্যাক্তিকে পদায়ন করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তড়িঘড়ি করে নথিটি আলোতে বেড়িয়ে আসে। এরপর বিষয়টি বুঝতে পেরে ই-নথিতে উপস্থাপন করা হয়। মন্ত্রীর আদেশ বাস্তবায়নে একজন সিনিয়র ইন্সট্রাকটরকে বদলি করতে যদি তিন মাস সময় ক্ষেপন হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনিহার বিষয়টি স্পষ্ট।

শিক্ষামন্ত্রী সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারেননি সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম (শাখা-৮)। শিক্ষামন্ত্রী নির্দেশিত প্রকৌশলী সামছুর রহমান (শাখা-৮) এ জয়েন্ট করেন ০১-০৭-২০২০ তারিখে। কিন্তু জহিরুল ইসলাম কোন ভাবেই (শাখা-৮) এর চেয়ার ছাড়বেন না। চেয়ার ধরে রাখার কৌশল জহিরুল ইসলাম ভালো ভাবেই জানেন। ২০১৫ সালে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে তৎকালীন স্ট্যান্ড রিলিজকৃত পরিচালক ফেরদৌস আলমের এমপিও সংক্রান্ত তদবীরের কাজে সহযোগিতা করেন সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম। ৩৭ জন শিক্ষক কর্মচারীর এমপিও ফাইল যাচাই ছাড়া এমপিও মিটিং এর তালিকা ভুক্ত করেন।

এ বিষয়ে জহিরুল ইসলামের অপরাধ প্রমানের সঙ্গে সঙ্গে তৎকালীন মহাপরিচালক জহিরুল ইসলামকে স্ট্যান্ডরিলিজ করে শেরপর টিএসসি-তে বদলি করেন। কিন্তু জহিরুর ইসলাম প্রভাব খাটিয়ে এক মাসের মধ্যে কারিগরি অধিদপ্তরের সহকারীর চেয়ারে বসেন। ঠিক একই ব্যাক্তি দিয়ে ২০১৫ সালের কায়দায় প্রভাব খাটিয়ে এক মাসের মধ্যে আবারো ২০২০ সালে প্রকৌশলী সামছুর রহমান সড়িয়ে সহকারী পরিচালকের চেয়ারে বসেন এবং যথারিতি বেপরোয়া আচরন শুরু করেন। আর বিনা অপরাধে প্রকৌশলী সামছুর রহমানকে চীপ ইনঃ হিসাবে লালমনিরহাট টিএসসিতে বদলী করেন।

নিজেকে সততার দাবীদার জহিরুল ইসলাম গত ১৫/০৩/২০২০ তারিখে কারিগরি অধিদপ্তরের এমপিও সভায় তালিকায় ১৫ সিরিয়ালে একলামুল রহমানকে সকল সদস্যের চোখ ফাঁকি দিয়ে বগুড়ায় নিশিন্দারা ফকির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজে নীতিমালা ও প্যাটার্ণ বহির্ভুক্ত কম্পিউটার ডেমোনেষ্ট্রেটর ২য় পদে এমপিও ভুক্ত করেন।

বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকারের এসডিসির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কারিগরি শিক্ষা মূখ্য চালিকাশক্তির ভূমিকা পালন করবে ও সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলামের মত কারিগরি বিদ্বেষী কর্মকর্তা দায়িত্বশীল পদে থেকে নিজের খেয়াল খুশি মত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার পরও কর্তৃপক্ষ জহিরুল ইসলামের কাছে জিম্মি হয়ে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্য করেছে।

সহকারী পরিচালক জহিরুল ইসলাম হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে কোন তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা না করে নিজের খেয়াল খুশি মত শিক্ষক কর্মচারীদের অপরাধী হিসাবে চিহিুত করে বিভিন্ন ধরনের ফাইন্ডিংস ইন্টারনেটে প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক কর্মচারীদের মানহানী করা সহ সারাদেশের শিক্ষক কর্মচারীর ব্যাক্তিগত মোবাইল নম্বরে ফোন করে (এমপিও) আবেদনে প্রদানকৃত মোবাইল নম্বরে এমপিও ভুক্ত করে দেবার কথা বলে বিকাশের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

এ সব বিষয়ে কথা বলতে কারিগরি অধিদপ্তরে গিয়ে মহাপরিচালককে পাওয়া যায়নি অফিসে গিয়ে জানা যায়, মহাপরিচালক ঠিক মত অফিস করেন না। আর সহকারী পরিচালক ছিলেন না। প্রতিবেদক দীর্ঘ দিন অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে কয়েকশ শিক্ষদের সাথে কথা হয়।

শিক্ষকরা জানান, তাদের এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তাদের এখন একটাই দাবী সহকারী পরিচালক জহিরুল (শাখা-৮) এর অপসারন। সারা বাংলাদেশের নির্যাতিত শিক্ষকরা এক দাবীতে এক হয়েছে। তারা জানিয়েছে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখন দফায় দফায় মিলিত হয়ে আলোচনা করছেন যদি এক সপ্তাহের মধ্যে জহিরুল ইসলামের অপসারন এবং নির্যাতিত সহকর্মী শিক্ষদের নির্যাতনের সুবিচার না করা হয় তাহলে তারা তিন থেকে পাঁচ হাজার শিক্ষকের সমাগম ঘটিয়ে কারিগরি অধিদপ্তর ঘেরাও করবেন।

দাবী পূরন না হওয়া পর্যন্তু ঘেরাও কর্মসুচি চলমান থাকবে পাশাপশি এমপিও বজ্ঞিত তিন হাজার শিক্ষক কর্মচারী হাইকোর্টে মানহানী মামলা করবেন।

আরও পড়ুন
Loading...