“আজ নন-টেক চীপ ইন্সট্রাক্টর পদ সৃজন ও আলাদা অধিদপ্তরের দাবীতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে অবস্থান কর্মসুচি”

২৭ অক্টোবর ২০২০ ইং  ঃ আজ কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে আসবেন। টিএসসি শিক্ষাক্রমকে পলিটেকনিক হতে আলাদা করে আলাদাভাবে অধিদপ্তর,মহাপরিচালক,পরিচালক তথা আলাদা প্রশাসন গঠন সহ সদ্য বঞ্জিত ইনঃ ননটেক পদের চীপ ইনঃপদ সৃজন পদোন্নতির দাবীতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে আজ অবস্থান কর্মসুচি পালন করবেন পদ বঞ্জিত ননটেক চীফ ইন্সট্রাক্টররা।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন ৬৪টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ সমূহের বাংলা, ইংরেজি, গনিত,পদার্থ ও রসায়ন বিষয়ে ইন্সট্রাক্টর হিসাবে কর্মরত। নিয়োগ কালীন সময়ে নবম গ্রেটে নিয়োগ প্রদান করা হয়। কিন্তু অপ্রিয় সত্যি এই যে একুশ বছর যাবৎ নবম গ্রেটের শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন এই শিক্ষকগন। কোন রকম টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেট ভাগ্যে জুটেনি এই সব শিক্ষকদের।

সম্পতি নিয়োগবিধি,অর্গানোগ্রাম সংশোধন ও কারিগরি শিক্ষা গতিশীল করার লক্ষ্যে ১০০ টি নতুন ও পুরাতন ৬৪ টি টিএসসিতে প্রয়োজনের নিরিখে উচ্চতর গ্রেটের টেকনিক্যাল শিক্ষকদের প্রমোশন পদসহ ৯ হাজারের অধিক রাজস্ব খাতে পদ সৃজন করা হয়েছে। কিন্তু অবাক হবার মতো সত্যি নন-টেক ইন্সট্রাক্টরগনের উচ্চতর গ্রেডে বা প্রমোশনের কোন উচ্চতর পদ সৃষ্টি করা হয়নি। বরং নন-টেকনিক্যাল শিক্ষকদের পদ বন্চিত করা হয়েছে। যা অমানবিক ও চরম অসম্মানের।

এই সিদ্ধান্তে নন-টেকনিক্যাল শিক্ষকগনের আতœসম্মান ও সামাজিক মর্যাদা চরম ভাবে ক্ষুন্ন করা হয়েছে। এই অপমানে নন-টেক শিক্ষকরা ক্ষোভে দুঃখে অবস্থান কর্মসুচি পালন করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান শিক্ষকরা।

জানতে চাওয়া হয়েছিল তাদের দাবী ইতি পূর্বে সচিবকে জানিয়েছেন কিনা ? উত্তরে শিক্ষক নেতারা জানান আমরা সচিব স্যারে সাথে দেখা করে আমাদের দাবীর কথা জানিয়েছিলাম সচিব স্যার আমাদেরকে কথাও দিয়েছিলেন কিন্তু আমাদের দাবী পূরণ হয়নি।

অলাদা অধিদপ্তর কেন চান জানতে চাওয়া হলে তারা বলে এই অধিদপ্তর আমাদের কোন কাছে আসে না। এই অধিদপ্তর তো আমাদের নয় ঐ কর্মকর্তাদের তারা চেয়ারে বসে থেকে আমাদেরকে মানুষ মনে করেন না। অধিদপ্তকে তারা তাদের নিজস্ব সম্পত্তি মনে করেন। আমরা ঐ দ্বায়িত্বহীন,দাম্ভিক কর্মকর্তাদের অধীনে থাকতে চাই না। আমরা দীর্ঘ দিন থেকে অসাধু কর্মকর্তদের অপসারন দাবী করে আসছি কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের কথার কোন গুরুত্ব দেয়নি অনেকটা বাধ্য হয়েই অলাদা অধিদপ্তর চাইচ্ছি।

শিক্ষকরা ক্ষেভের সাথে বলেন আমাদের নায্য দাবী আদায়ের জন্য অবস্থান কর্মসুচি পালন করতে হচ্ছে যা কি না বড়ই দুঃখের যেটা আমাদের এমনিতেই পাবার কথা। অবস্থান কর্মসূচিতে যদি আপনাদের দাবী পূরণ না হয় কি করবেন জানতে চাওয়া হলে শিক্ষকরা বলেন, আমাদের দাবী মানা না হলে আমরা লাগতার কর্মসূচিতে যাবো আমাদের অধিকার আদায় করেই ছাড়বো।

আরও পড়ুন
Loading...